শাহজাহানপুর ও শেরপুর, বগুড়া: উত্তরবঙ্গের সবজি হাব-এ হাইড্রোপনিক ট্রেতে রঙিন ক্যাপসিকাম চাষে দ্বিগুণ মুনাফা
📊 প্রজেক্টের প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক তথ্য সংক্ষেপ
১. আঞ্চলিক পটভূমি ও মাঠ পর্যায়ের কৃষি চ্যালেঞ্জ
উত্তরবঙ্গের সবজি রাজধানী বগুড়ায় খোলা মাঠে ক্যাপসিকাম চাষ করতে গেলে সাদা মাছি ও থ্রিপসের আক্রমণে পাতা কোঁকড়ানো ভাইরাস রোগ এবং রোদে ফল পুড়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দিত।
২. প্রযুক্তিগত সমাধান ও বারি (BARI) প্রোটোকল প্রয়োগ
শাহজাহানপুরের অগ্রসর চাষিরা ৬০-মেশের পোকা-নিরোধক নেট ও ইউভি পলিহাউসের ভেতরে বারি সার্কুলেটিং ট্রে স্থাপন করেন। চারা রোপণের ৩০ দিন পর সুতা দিয়ে গাছ বেঁধে ২G/৩G পদ্ধতিতে ডাল ছাঁটাই এবং ইসি ২.৩ মাত্রা বজায় রাখা হয়।
৩. অর্জিত ফলন, অর্থনৈতিক সাফল্য ও কৃষকের অভিজ্ঞতা
কীটনাশক ছাড়াই প্রতিটি ফলের ওজন ১৮০–২২০ গ্রাম হয়েছে এবং বগুড়া ও ঢাকার বাজারে উচ্চমূল্যে বিক্রি করে চাষিরা পূর্বের তুলনায় দ্বিগুণ মুনাফা অর্জন করেছেন।
শাহজাহানপুর ও শেরপুর, বগুড়া-এর এই বাস্তব সাফল্য প্রমাণ করে যে সঠিক প্রশিক্ষণ এবং বারি (BARI) উদ্ভাবিত স্টক সলিউশন ‘এ’ ও ‘বি’ ব্যবহার করলে বাংলাদেশের যেকোনো অঞ্চলে মাটি ছাড়াই উচ্চমূল্যের নিরাপদ ফসল উৎপাদন করে লাভবান হওয়া সম্ভব।
