চিলমারী ও উলিপুর, কুড়িগ্রাম: মাত্র ৪.৫০ টাকা কেজি খরচে ৭ দিনে হাইড্রোপনিক ভুট্টা ঘাস উৎপাদনে নারী খামারিদের দুগ্ধ বিপ্লব
📊 প্রজেক্টের প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক তথ্য সংক্ষেপ
১. আঞ্চলিক পটভূমি ও মাঠ পর্যায়ের কৃষি চ্যালেঞ্জ
কুড়িগ্রামের ব্রহ্মপুত্র চরাঞ্চলে বর্ষায় চারণভূমি পানির নিচে তলিয়ে যায় এবং শুষ্ক মৌসুমে বালুচরে ঘাস জন্মায় না। ফলে গোখাদ্যের তীব্র সংকটে গাভীর দুধ উৎপাদন কমে যেত এবং দানাদার খাদ্যের খরচ বেড়ে যেত।
২. প্রযুক্তিগত সমাধান ও বারি (BARI) প্রোটোকল প্রয়োগ
স্থানীয় নারী খামারিরা ঘরের বারান্দায় বাঁশ ও লোহার র্যাকে প্লাস্টিক ট্রে সাজিয়ে ভুট্টা বীজ ১২ ঘণ্টা ভিজিয়ে ও ২৪ ঘণ্টা চটের বস্তায় অঙ্কুরিত করে ট্রেতে বিছিয়ে দেন। দিনে ৪ বার স্প্রে মেশিনে পানি দিলেই ৭–৮ দিনে ৮ ইঞ্চি লম্বা ঘাসের ম্যাট তৈরি হয়।
৩. অর্জিত ফলন, অর্থনৈতিক সাফল্য ও কৃষকের অভিজ্ঞতা
মাত্র ৪.৫০ থেকে ৫.০০ টাকা কেজি খরচে উৎপাদিত এই ভিটামিন ও প্রোটিন সমৃদ্ধ ঘাস খাওয়ানোর ফলে গাভীর দুধ উৎপাদন ১২% থেকে ১৫% বৃদ্ধি পেয়েছে এবং দানাদার খাবারের খরচ অর্ধেকে নেমে এসেছে।
চিলমারী ও উলিপুর (ব্রহ্মপুত্র চর অঞ্চল), কুড়িগ্রাম-এর এই বাস্তব সাফল্য প্রমাণ করে যে সঠিক প্রশিক্ষণ এবং বারি (BARI) উদ্ভাবিত স্টক সলিউশন ‘এ’ ও ‘বি’ ব্যবহার করলে বাংলাদেশের যেকোনো অঞ্চলে মাটি ছাড়াই উচ্চমূল্যের নিরাপদ ফসল উৎপাদন করে লাভবান হওয়া সম্ভব।
