শেরপুর (বগুড়া) ও নাটোর: ২.৫ × ২.৫ সেমি স্পঞ্জ ব্লকে শতভাগ রোগমুক্ত হাইড্রোপনিক চারা উৎপাদনের বাণিজ্যিক নার্সারি মডেল
📊 প্রজেক্টের প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক তথ্য সংক্ষেপ
১. আঞ্চলিক পটভূমি ও মাঠ পর্যায়ের কৃষি চ্যালেঞ্জ
নতুন হাইড্রোপনিক চাষিরা প্রায়ই মাটির বীজতলার চারা শিকড় ধুয়ে ট্রেতে লাগাতেন, যার ফলে মাটির ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া পানির ট্যাংকে ছড়িয়ে পড়ে পুরো প্রজেক্ট ক্ষতিগ্রস্ত হতো।
২. প্রযুক্তিগত সমাধান ও বারি (BARI) প্রোটোকল প্রয়োগ
বারি ম্যানুয়ালের ২য় অধ্যায়ের নির্দেশিকা মেনে বগুড়া ও নাটোরের নার্সারি উদ্যোক্তারা ২.৫ × ২.৫ সেমি আকারের স্পঞ্জ ব্লকের মাঝখানে ১ সেমি কেটে ১–২টি বীজ বপন করেন। চারা গজানোর ৫–৬ দিন পর প্রতি লিটার পানিতে মাত্র ৫ মিলি স্টক এ ও বি মিশিয়ে ১৫–২০ দিনে আদর্শ চারা তৈরি করা হয়।
৩. অর্জিত ফলন, অর্থনৈতিক সাফল্য ও কৃষকের অভিজ্ঞতা
স্পঞ্জ ব্লকসহ চারা সরাসরি ককশিটের ছিদ্রে বসানো যায় বলে শিকড়ে কোনো আঘাত লাগে না এবং শতভাগ চারা দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
শেরপুর (বগুড়া) ও নাটোর সদর, বগুড়া ও নাটোর-এর এই বাস্তব সাফল্য প্রমাণ করে যে সঠিক প্রশিক্ষণ এবং বারি (BARI) উদ্ভাবিত স্টক সলিউশন ‘এ’ ও ‘বি’ ব্যবহার করলে বাংলাদেশের যেকোনো অঞ্চলে মাটি ছাড়াই উচ্চমূল্যের নিরাপদ ফসল উৎপাদন করে লাভবান হওয়া সম্ভব।
