📞 হটলাইন (আশিকুর): +৮৮০ ১৩২৪-৪৪৫৪০০  •  💬 ২৪/৭ হোয়াটসঅ্যাপ: +৮৮০ ১৩২৪-৪৪৫৪০১
🇧🇩 বাংলাদেশের ৬৪ জেলা ও ৮টি আঞ্চলিক শাখায় সেবা ও ডেলিভারি
H
হাইড্রোপনিকসবিডি মাটিবিহীন কৃষি ও গবেষণা ইনস্টিটিউট
📍 বানারীপাড়া ও নাজিরপুর, বরিশাল ও পিরোজপুর  •  ভাসমান ধাপ ও নারিকেলের ছোবড়ার ‘টেমা’ বল নার্সারি  •  কেস স্টাডি #২

বানারীপাড়া (বরিশাল) ও নাজিরপুর (পিরোজপুর): ভাসমান ধাপে ‘টেমা’ পদ্ধতিতে কোটি টাকার সবজি চারা উৎপাদনের বাণিজ্যিক বিপ্লব

বানারীপাড়া (বরিশাল) ও নাজিরপুর (পিরোজপুর): ভাসমান ধাপে ‘টেমা’ পদ্ধতিতে কোটি টাকার সবজি চারা উৎপাদনের বাণিজ্যিক বিপ্লব
📸 বাস্তব মাঠ ও গবেষণা আলোকচিত্র: বরিশাল ও পিরোজপুরের জলাভূমিতে সারি সারি ভাসমান ধাপ এবং নৌকায় করে সবজি ও চারা পরিবহনের দৃশ্য।

📊 প্রজেক্টের প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক তথ্য সংক্ষেপ

📍 অবস্থান (উপজেলা ও জেলা) বানারীপাড়া ও নাজিরপুর, বরিশাল ও পিরোজপুর, বাংলাদেশ
⚙️ ব্যবহৃত হাইড্রোপনিক প্রযুক্তি ভাসমান ধাপ ও নারিকেলের ছোবড়ার ‘টেমা’ বল নার্সারি
🌱 উৎপাদিত প্রধান ফসল লাউ, মিষ্টি কুমড়া, পেঁপে, মরিচ ও বেগুনের চারা
🧪 পুষ্টি দ্রবণ ও ইসি/পিএইচ মাত্রা প্রাকৃতিক জলজ জৈব দ্রবণ • পিএইচ ৬.০–৬.৬
💰 ফলন ও অর্থনৈতিক ফলাফল ৮–১০টি ভাসমান ধাপ থেকে প্রতি মৌসুমে ১.২০–২.৫০ লক্ষ টাকা আয়

১. আঞ্চলিক পটভূমি ও মাঠ পর্যায়ের কৃষি চ্যালেঞ্জ

দক্ষিণাঞ্চলে বর্ষার পানি নামার সাথে সাথেই আগাম শীতকালীন সবজি চাষের জন্য লক্ষ লক্ষ চারার প্রয়োজন হয়। কিন্তু তখনো ডাঙার বীজতলা ভেজা ও কর্দমাক্ত থাকায় মাটিতে চারা উৎপাদন করা যায় না।

২. প্রযুক্তিগত সমাধান ও বারি (BARI) প্রোটোকল প্রয়োগ

বরিশালের বানারীপাড়া ও পিরোজপুরের নাজিরপুরের কৃষকেরা খাল ও বিলের পানিতে কচুরিপানার ভাসমান ধাপ তৈরি করে তার ওপর নারিকেলের ছোবড়ার গুঁড়া ও টোপাপানা দিয়ে তৈরি ‘টেমা’ বলের ভেতর লাউ, কুমড়া, মরিচ ও পেঁপের চারা উৎপাদন করেন। শিকড় টেমার ভেতর অক্ষত থাকায় এই চারা রোপণের পর একটি চারাও মরে না।

৩. অর্জিত ফলন, অর্থনৈতিক সাফল্য ও কৃষকের অভিজ্ঞতা

প্রতিটি ৪০ ফুট লম্বা ভাসমান বেডে এক মৌসুমে ৪ দফায় ১৫,০০০–২০,০০০ চারা উৎপাদিত হয়। নৌকার ভাসমান হাটে এই চারা বিক্রি করে হাজার হাজার কৃষক পরিবার দারিদ্র্য জয় করেছেন।

🇧🇩 বাংলাদেশের চাষিদের জন্য মূল শিক্ষণীয় বিষয়:

বানারীপাড়া ও নাজিরপুর, বরিশাল ও পিরোজপুর-এর এই বাস্তব সাফল্য প্রমাণ করে যে সঠিক প্রশিক্ষণ এবং বারি (BARI) উদ্ভাবিত স্টক সলিউশন ‘এ’ ও ‘বি’ ব্যবহার করলে বাংলাদেশের যেকোনো অঞ্চলে মাটি ছাড়াই উচ্চমূল্যের নিরাপদ ফসল উৎপাদন করে লাভবান হওয়া সম্ভব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *