বারি পুষ্টি রসায়ন গবেষণাগার (গাজীপুর): ১০টি রাসায়নিক লবণ দিয়ে স্বল্পমূল্যের স্টক সলিউশন ‘এ’ ও ‘বি’ উদ্ভাবনের সাফল্য
📊 প্রজেক্টের প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক তথ্য সংক্ষেপ
১. আঞ্চলিক পটভূমি ও মাঠ পর্যায়ের কৃষি চ্যালেঞ্জ
বাংলাদেশে হাইড্রোপনিক চাষের শুরুতে বিদেশ থেকে তরল সার আমদানি করতে প্রতি লিটারে ১,৫০০–২,৫০০ টাকা খরচ হতো, যা সাধারণ কৃষকদের নাগালের বাইরে ছিল এবং প্রায়ই দীর্ঘ পরিবহনে তলানি জমে নষ্ট হয়ে যেত।
২. প্রযুক্তিগত সমাধান ও বারি (BARI) প্রোটোকল প্রয়োগ
বারির বিজ্ঞানীরা ১০ লিটার স্টক সলিউশনের জন্য সুনির্দিষ্ট ফর্মুলা উদ্ভাবন করেন: স্টক ‘এ’-তে ১০০০ গ্রাম ক্যালসিয়াম নাইট্রেট ও ৮০ গ্রাম ইডিটিএ-আয়রন এবং স্টক ‘বি’-তে ২৭০ গ্রাম এমকেপি, ৫৮০ গ্রাম পটাশিয়াম নাইট্রেট, ৫১০ গ্রাম ম্যাগনেসিয়াম সালফেটসহ ৬টি অনুখাদ্য আলাদাভাবে মেশানোর কৌশল নির্ধারণ করেন।
৩. অর্জিত ফলন, অর্থনৈতিক সাফল্য ও কৃষকের অভিজ্ঞতা
ক্যালসিয়ামকে ফসফেট ও সালফেট থেকে আলাদা ট্যাংকে রাখায় জিপসাম তলানি পড়া শতভাগ বন্ধ হয়েছে এবং মাত্র ১.৮০ টাকা লিটার খরচে কৃষকেরা নিজেরাই খামারের পুষ্টি দ্রবণ তৈরি করতে পারছেন।
জয়দেবপুর (বারি পুষ্টি ল্যাব), গাজীপুর-এর এই বাস্তব সাফল্য প্রমাণ করে যে সঠিক প্রশিক্ষণ এবং বারি (BARI) উদ্ভাবিত স্টক সলিউশন ‘এ’ ও ‘বি’ ব্যবহার করলে বাংলাদেশের যেকোনো অঞ্চলে মাটি ছাড়াই উচ্চমূল্যের নিরাপদ ফসল উৎপাদন করে লাভবান হওয়া সম্ভব।
