শ্যামনগর ও কালিগঞ্জ, সাতক্ষীরা: সুন্দরবন উপকূলের তীব্র লবণাক্ততা জয় করে কোকোপিট পাত্রে পুদিনা ও সবজি চাষের সাফল্য
📊 প্রজেক্টের প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক তথ্য সংক্ষেপ
১. আঞ্চলিক পটভূমি ও মাঠ পর্যায়ের কৃষি চ্যালেঞ্জ
ঘূর্ণিঝড় আইলা ও আম্ফান পরবর্তী সময়ে সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও কালিগঞ্জে মাটির লবণাক্ততা এতটাই বেড়ে যায় যে বসতবাড়ির আঙিনায় সাধারণ শাকসবজি বা পুদিনা-ধনেপাতা জন্মানো অসম্ভব হয়ে পড়েছিল।
২. প্রযুক্তিগত সমাধান ও বারি (BARI) প্রোটোকল প্রয়োগ
বারি ম্যানুয়ালের ৬ষ্ঠ অধ্যায় অনুসরণ করে নারিকেলের ছোবড়ার গুঁড়া (কোকোপিট) পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে লবণমুক্ত করে মাটির চাড়ি ও প্লাস্টিক পাত্রে ভরা হয় এবং বর্ষায় সংরক্ষিত বৃষ্টির পানির সাথে বারি স্টক এ ও বি মিশিয়ে সেচ দেওয়া হয়।
৩. অর্জিত ফলন, অর্থনৈতিক সাফল্য ও কৃষকের অভিজ্ঞতা
লবণাক্ত ঘের এলাকার নারীরা এখন ঘরের উঠানেই সারা বছর তাজা পুদিনা, ধনেপাতা ও মরিচ উৎপাদন করে পরিবারের পুষ্টি চাহিদা মেটাচ্ছেন ও স্থানীয় বাজারে বিক্রি করছেন।
শ্যামনগর ও কালিগঞ্জ উপকূল, সাতক্ষীরা-এর এই বাস্তব সাফল্য প্রমাণ করে যে সঠিক প্রশিক্ষণ এবং বারি (BARI) উদ্ভাবিত স্টক সলিউশন ‘এ’ ও ‘বি’ ব্যবহার করলে বাংলাদেশের যেকোনো অঞ্চলে মাটি ছাড়াই উচ্চমূল্যের নিরাপদ ফসল উৎপাদন করে লাভবান হওয়া সম্ভব।
