কয়রা ও পাইকগাছা, খুলনা: ১ মিটার × ১ মিটার কোকোপিট ট্রেতে গাছ প্রতি ১.৫–২.০ কেজি কন্দাল মিষ্টি আলু ও শাক উৎপাদনের বিস্ময়
📊 প্রজেক্টের প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক তথ্য সংক্ষেপ
১. আঞ্চলিক পটভূমি ও মাঠ পর্যায়ের কৃষি চ্যালেঞ্জ
খুলনার কয়রা ও পাইকগাছার শক্ত ও লবণাক্ত এঁটেল মাটিতে মিষ্টি আলুর মতো কন্দাল ফসল ভালোভাবে বড় হতে পারে না এবং মাটির নিচে পোকার আক্রমণে নষ্ট হয়।
২. প্রযুক্তিগত সমাধান ও বারি (BARI) প্রোটোকল প্রয়োগ
বারি ম্যানুয়ালের ৬ষ্ঠ অধ্যায়ের যুগান্তকারী উদ্ভাবন অনুযায়ী ১ মিটার × ১ মিটার আকারের ট্রেতে ২৫ কেজি নরম ও ধৌতকৃত নারিকেলের ছোবড়ার গুঁড়া ভরে ৫টি করে মিষ্টি আলুর লতা রোপণ করা হয় এবং বারি পুষ্টি দ্রবণ প্রয়োগ করা হয়।
৩. অর্জিত ফলন, অর্থনৈতিক সাফল্য ও কৃষকের অভিজ্ঞতা
রোপণের ৩০ দিন পর থেকেই পুষ্টিকর শাক পাওয়া যায় এবং ঝুরঝুরে কোকোপিটের ভেতরে প্রতিটি গাছ থেকে ১.৫ থেকে ২.০ কেজি পরিষ্কার ও সুমিষ্ট আলু উৎপাদিত হচ্ছে!
কয়রা ও পাইকগাছা, খুলনা-এর এই বাস্তব সাফল্য প্রমাণ করে যে সঠিক প্রশিক্ষণ এবং বারি (BARI) উদ্ভাবিত স্টক সলিউশন ‘এ’ ও ‘বি’ ব্যবহার করলে বাংলাদেশের যেকোনো অঞ্চলে মাটি ছাড়াই উচ্চমূল্যের নিরাপদ ফসল উৎপাদন করে লাভবান হওয়া সম্ভব।
