📞 হটলাইন (আশিকুর): +৮৮০ ১৩২৪-৪৪৫৪০০  •  💬 ২৪/৭ হোয়াটসঅ্যাপ: +৮৮০ ১৩২৪-৪৪৫৪০১
🇧🇩 বাংলাদেশের ৬৪ জেলা ও ৮টি আঞ্চলিক শাখায় সেবা ও ডেলিভারি
H
হাইড্রোপনিকসবিডি মাটিবিহীন কৃষি ও গবেষণা ইনস্টিটিউট

চিলমারী ও উলিপুর, কুড়িগ্রাম: মাত্র ৪.৫০ টাকা কেজি খরচে ৭ দিনে হাইড্রোপনিক ভুট্টা ঘাস উৎপাদনে নারী খামারিদের দুগ্ধ বিপ্লব

স্থানীয় নারী খামারিরা ঘরের বারান্দায় বাঁশ ও লোহার র‍্যাকে প্লাস্টিক ট্রে সাজিয়ে ভুট্টা বীজ ১২ ঘণ্টা ভিজিয়ে ও ২৪ ঘণ্টা চটের বস্তায় অঙ্কুরিত করে ট্রেতে বিছিয়ে দেন। দিনে ৪ বার স্প্রে মেশিনে পানি দিলেই ৭–৮ দিনে ৮ ইঞ্চি লম্বা ঘাসের ম্যাট তৈরি হয়।

শের-ই-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (SAU, আগারগাঁও, ঢাকা): নগর কৃষি ও ছাদবাগান হাইড্রোপনিক গবেষণায় রঙিন ক্যাপসিকামের সাফল্য

ককশিট বক্স ও কোকোপিট ব্যাগে পটাশিয়াম ও ক্যালসিয়ামের সুষম অনুপাত এবং লবণাক্ততা-সহনশীল পুষ্টি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ঢাকার আবহাওয়ায় ক্যাপসিকামের ফলের পুরুত্ব ও ফলন বৃদ্ধির গবেষণা সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

ময়মনসিংহ সদর (বাকৃবি করিডোর): বহুতল উল্লম্ব (Vertical) ইউপিভিসি পাইপ প্রযুক্তিতে অল্প জায়গায় ৩ গুণ বেশি সবজি উৎপাদন

বারি ম্যানুয়ালের ৭ম অধ্যায়ের ভার্টিক্যাল হাইড্রোপনিক নকশা অনুযায়ী লোহার অ্যাঙ্গেল ফ্রেমে ৩ ধাপে ৬ ইঞ্চি ব্যাসের ইউপিভিসি পাইপ স্থাপন করা হয়। সাবমার্সিবল পাম্পের সাহায্যে উপরের পাইপে পুষ্টি দ্রবণ পাঠালে তা মাধ্যাকর্ষণ শক্তিতে নিচের পাইপগুলো হয়ে পুনরায় রিজার্ভার ট্যাংকে ফিরে আসে।

শ্যামনগর ও কালিগঞ্জ, সাতক্ষীরা: সুন্দরবন উপকূলের তীব্র লবণাক্ততা জয় করে কোকোপিট পাত্রে পুদিনা ও সবজি চাষের সাফল্য

বারি ম্যানুয়ালের ৬ষ্ঠ অধ্যায় অনুসরণ করে নারিকেলের ছোবড়ার গুঁড়া (কোকোপিট) পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে লবণমুক্ত করে মাটির চাড়ি ও প্লাস্টিক পাত্রে ভরা হয় এবং বর্ষায় সংরক্ষিত বৃষ্টির পানির সাথে বারি স্টক এ ও বি মিশিয়ে সেচ দেওয়া হয়।

দক্ষিণ সুরমা ও কদমতলী, সিলেট: ৪,০০০ মিমি বৃষ্টিপাত মোকাবিলা করে ১০×১০ ফুট বারি মাইক্রো-গার্ডেনে পারিবারিক সবজি বিপ্লব

বারি ম্যানুয়ালের ৮ম অধ্যায়ের নকশা অনুযায়ী ১০ ফুট × ১০ ফুট (১০০ বর্গফুট) জায়গায় মাঝখানে ৮.৫ ফুট উঁচু করে ০.১৫–০.২০ মিমি পুরু ইউভি পলিথিন ছাউনি এবং চারপাশে ৬০-মেশের সাদা নেট দিয়ে মাইক্রো-গার্ডেন তৈরি করা হয়।

গদখালী ও ঝিকরগাছা, যশোর: ফুলের রাজধানীতে নন-সার্কুলেটিং ট্রেতে ইনকা গাঁদা ও বাণিজ্যিক ফুল চাষের নতুন দিগন্ত

বারি উদ্ভাবিত বিদ্যুৎবিহীন নন-সার্কুলেটিং ট্রে ও প্লাস্টিক বালতিতে ৩০ × ২০ সেমি দূরত্বে ইনকা গাঁদা ফুলের কাটিং রোপণ করা হয়। ককশিট ও পানির মাঝে ৩–৫ সেমি বাতাসের স্তর রাখায় পাম্প ছাড়াই শিকড় পর্যাপ্ত অক্সিজেন পায়।

পবা ও গোদাগাড়ী, রাজশাহী: বরেন্দ্র অঞ্চলের খরা জয় করে ৯০% কম পানিতে সুমিষ্ট নেটেড মেলন (Rockmelon) চাষের সাফল্য

বারি ম্যানুয়ালের নির্দেশিকা মেনে ৫০ সেমি দূরত্বে নেটেড মেলনের চারা রোপণ করা হয়। সকাল ৭–৯টার মধ্যে কৃত্রিম হাত-পরাগায়ন করে প্রতি গাছে ৩–৪টি ফল রেখে বাকিগুলো ছাঁটাই করা হয় এবং ফল পাকার ১৫ দিন আগে পটাশিয়াম ও ইসি মাত্রা বাড়ানো হয়।

সীতাকুণ্ড ও হালিশহর, চট্টগ্রাম: বন্দরনগরীর আর্দ্র ও লবণাক্ত আবহাওয়া জয় করে সার্কুলেটিং ট্রেতে বছরব্যাপী টমেটো উৎপাদন

বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করে এবং ভেনচুরি এয়ার ইনজেক্টরের মাধ্যমে পুষ্টি দ্রবণে পর্যাপ্ত অক্সিজেন (DO > ৬.৫ মিলিগ্রাম/লিটার) নিশ্চিত করে উঁচু সার্কুলেটিং ট্রেতে টমেটো চাষ শুরু করা হয়।

শাহজাহানপুর ও শেরপুর, বগুড়া: উত্তরবঙ্গের সবজি হাব-এ হাইড্রোপনিক ট্রেতে রঙিন ক্যাপসিকাম চাষে দ্বিগুণ মুনাফা

শাহজাহানপুরের অগ্রসর চাষিরা ৬০-মেশের পোকা-নিরোধক নেট ও ইউভি পলিহাউসের ভেতরে বারি সার্কুলেটিং ট্রে স্থাপন করেন। চারা রোপণের ৩০ দিন পর সুতা দিয়ে গাছ বেঁধে ২G/৩G পদ্ধতিতে ডাল ছাঁটাই এবং ইসি ২.৩ মাত্রা বজায় রাখা হয়।

সাভার ও আশুলিয়া, ঢাকা: সুপারশপ ও পাঁচতারকা হোটেলের জন্য ককশিট ফ্লোটিং ট্রেতে বছরব্যাপী হাইড্রোপনিক লেটুস চাষ

সাভারের বাণিজ্যিক খামারে বারি উদ্ভাবিত ককশিট ফ্লোটিং ট্রে পদ্ধতিতে ২০ × ২০ সেমি দূরত্বে স্পঞ্জ ব্লকের চারা রোপণ করা হয়। ককশিট ও দ্রবণের মাঝে ৩ সেমি ফাঁকা জায়গা রেখে অক্সিজেন চলাচল নিশ্চিত করা হয়।

শ্রীপুর ও জয়দেবপুর, গাজীপুর: বারি টমেটো-১৪ ও চেরি টমেটোর বাণিজ্যিক হাইড্রোপনিক চাষে প্রতি গাছে ৭ কেজি ফলন অর্জন

বারি ম্যানুয়ালের ৫ম অধ্যায়ের নির্দেশিকা অনুসরণ করে ৩ মিটার × ১ মিটার ট্রেতে ৫০ × ৪০ সেমি দূরত্বে (প্রতি ট্রেতে ১২টি গাছ) চারা রোপণ করা হয়। নাইলন সুতা দিয়ে গাছ সোজা রেখে পার্শ্বকুশি ছাঁটাই এবং ফল ধরা অবস্থায় ইসি ২.২–২.৫ ডেসিমোল/মি বজায় রাখা হয়।

দোহার ও নবাবগঞ্জ, ঢাকা: প্রবাসী উদ্যোক্তাদের ৫,২০০ গাছের বাণিজ্যিক সার্কুলেটিং ট্রে ও পদ্মা রিজার্ভার পলিহাউস প্রজেক্ট

উদ্যোক্তারা ৩,৫০০ বর্গফুটের ইউভি পলিহাউসের ভেতরে মাটি থেকে ৩ ফুট উঁচুতে গ্যালভানাইজড সার্কুলেটিং ট্রে এবং ১,০০০ লিটারের পদ্মা প্লাস্টিক ট্যাংক স্থাপন করেন। পাম্পের সাহায্যে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে পুষ্টি দ্রবণ সঞ্চালন করা হয়।