কক্সবাজার ও রামু পর্যটন করিডোর: হোটেল ও রিসোর্টের নিজস্ব শেড-নেট হাউসে তাজা সালাদ লেটুস ও শসা উৎপাদনের ফার্ম-টু-টেবিল সাফল্য
রামু ও মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন রিসোর্টগুলোতে বারি প্রযুক্তির শেড-নেট হাউস নির্মাণ করে সামনের ট্রেতে লেটুস-বেসিল এবং পেছনের ট্রেতে মাচায় শসা ও চেরি টমেটো চাষ শুরু করা হয়।
শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার: প্লাস্টিক হাফ-ড্রামে কোকোপিট ও বারি পুষ্টি দ্রবণে বারোমাসি কাগজি লেবু চাষের সাফল্য
বারি ম্যানুয়ালের ৬ষ্ঠ অধ্যায় অনুসরণ করে প্লাস্টিক হাফ-ড্রামের নিচে ছিদ্র করে ৩৫–৪০ কেজি ধৌতকৃত কোকোপিট ভরে লেবুর কলম রোপণ করা হয় এবং প্রতিদিন ১–২ লিটার বারি পুষ্টি দ্রবণ প্রয়োগ করা হয়।
আশাশুনি ও তালা, সাতক্ষীরা: বর্ষার জলাবদ্ধতা ও লবণাক্ততা জয় করে কোকোপিট টবে বারোমাসি কাঁচা মরিচ চাষের সাফল্য
বারি ম্যানুয়ালের ৬ষ্ঠ অধ্যায় অনুসরণ করে ছিদ্রযুক্ত প্লাস্টিক টবে শতভাগ ধৌতকৃত কোকোপিট ভরে মরিচের চারা রোপণ করা হয়। কোকোপিটে পানি জমে না থাকায় শিকড় পচে না এবং বারি পুষ্টি দ্রবণে গাছ দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
কয়রা ও পাইকগাছা, খুলনা: ১ মিটার × ১ মিটার কোকোপিট ট্রেতে গাছ প্রতি ১.৫–২.০ কেজি কন্দাল মিষ্টি আলু ও শাক উৎপাদনের বিস্ময়
বারি ম্যানুয়ালের ৬ষ্ঠ অধ্যায়ের যুগান্তকারী উদ্ভাবন অনুযায়ী ১ মিটার × ১ মিটার আকারের ট্রেতে ২৫ কেজি নরম ও ধৌতকৃত নারিকেলের ছোবড়ার গুঁড়া ভরে ৫টি করে মিষ্টি আলুর লতা রোপণ করা হয় এবং বারি পুষ্টি দ্রবণ প্রয়োগ করা হয়।
জীবননগর ও চুয়াডাঙ্গা: বাণিজ্যিক কৃষি উদ্যোক্তাদের ৩ মিটার × ১ মিটার হাইড্রোপনিক ট্রেতে বিদেশি রকমেলন ও বাঙ্গি চাষের সাফল্য
মাটির পরিবর্তে ৩ মিটার × ১ মিটার আকারের উঁচু হাইড্রোপনিক ট্রে ব্যবহার করায় মাটিবাহিত ছত্রাকের ঝুঁকি সম্পূর্ণ দূর হয়েছে এবং ফল পাকার সময় পুষ্টি মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে ফলের মিষ্টতা বাড়ানো সহজ হয়েছে।
ভাঙ্গা ও ফরিদপুর সদর: ১০ লিটারের প্লাস্টিক বালতিতে স্টক ‘এ’ ও ‘বি’ ব্যবহার করে বারি লাউ-৪ চাষে নারী কৃষকদের সাফল্য
বারি ম্যানুয়ালের ৫ম অধ্যায় অনুসরণ করে মাত্র ১০ লিটারের প্লাস্টিক বালতির ঢাকনায় ছিদ্র করে বারি লাউ-৪-এর চারা রোপণ করা হয় এবং সপ্তাহে ১–২ বার স্টক এ ও বি মিশ্রিত পানি যোগ করে ৩০ দিন পর দ্রবণ পরিবর্তন করা হয়।
টঙ্গীবাড়ী ও মুন্সীগঞ্জ সদর: কীটনাশকমুক্ত হাইড্রোপনিক করলা (Bitter Gourd) চাষে প্রতি গাছে ২.৫ কেজি নিরাপদ ফলন
মুন্সীগঞ্জের উদ্যোক্তারা পোকা-নিরোধক নেট-হাউসের ভেতরে হাইড্রোপনিক ট্রেতে ৫০ সেমি দূরত্বে করলার চারা রোপণ করেন এবং সকাল ৭–৯টার মধ্যে হাত-পরাগায়নের মাধ্যমে শতভাগ ফলধারণ নিশ্চিত করেন।
মধুপুর ও মির্জাপুর, টাঙ্গাইল: ১০ লিটারের প্লাস্টিক বালতিতে মাটি ছাড়াই মাচায় করলা ও লতানো সবজি চাষের সহজ মডেল
বারি ম্যানুয়ালের নির্দেশিকা মেনে সাধারণ ১০–১৫ লিটারের প্লাস্টিক বালতির ঢাকনায় ছিদ্র করে স্পঞ্জ ব্লকসহ করলার চারা বসানো হয় এবং বালতির উপরের অংশে ৭ সেমি ফাঁকা রেখে পুষ্টি দ্রবণ ভরা হয়।
বীরগঞ্জ ও দিনাজপুর সদর: হাইড্রোপনিক প্রযুক্তিতে উৎপাদিত কাদামুক্ত ও সুমিষ্ট স্ট্রবেরি বাজারজাতকরণে তরুণ উদ্যোক্তাদের সাফল্য
হাইড্রোপনিক পুষ্টি দ্রবণে স্টক ‘এ’-এর ক্যালসিয়াম এবং স্টক ‘বি’-এর পটাশিয়াম ও বোরনের সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখায় ফলের কোষপ্রাচীর শক্ত ও মিষ্টতা বৃদ্ধি পায়।
শিবপুর ও রায়পুরা, নরসিংদী: বিদ্যুৎবিহীন নন-সার্কুলেটিং ট্রেতে ব্যাকটেরিয়াল উইল্টমুক্ত টমেটো চাষের গ্রামীণ মডেল
বারি ম্যানুয়ালের ৪র্থ অধ্যায়ের নন-সার্কুলেটিং ট্রে পদ্ধতি ব্যবহার করে ককশিট এবং পুষ্টি দ্রবণের মাঝে ৫–৮ সেমি ফাঁকা জায়গা রাখা হয়। ফলে কোনো বৈদ্যুতিক পাম্প বা এয়ার স্টোন ছাড়াই গাছের উপরের শিকড় বাতাস থেকে সরাসরি অক্সিজেন গ্রহণ করে।
মিঠাপুকুর ও রংপুর সদর: শীতের কুয়াশা ও মাটির পচন রোগ এড়িয়ে সাদা হাইড্রোপনিক ট্রেতে বারি স্ট্রবেরি-১ চাষের সাফল্য
অক্টোবর-নভেম্বর মাসে বারি স্ট্রবেরি-১-এর সুস্থ রানার চারা উঁচু হাইড্রোপনিক ট্রেতে ৩০ × ৩০ সেমি দূরত্বে রোপণ করা হয় এবং ইসি ১.৪–১.৮ মাত্রার পুষ্টি দ্রবণ সরবরাহ করা হয়।
দাউদকান্দি ও কুমিল্লা সদর: মাচায় ঝুলন্ত হাইড্রোপনিক শসা চাষে মাত্র ৪৫ দিনে ফলন ও বছরে ৩–৪ বার ফসল সংগ্রহ
বারি ম্যানুয়ালের ৫ম অধ্যায়ের নির্দেশিকা অনুযায়ী ১৫ দিন বয়সী শসার চারা ৫০ × ৪০ সেমি দূরত্বে (প্রতি ট্রেতে ১০–১২টি গাছ) রোপণ করে নাইলন সুতার মাচায় তুলে দেওয়া হয় এবং ইসি ১.৮–২.৩ মাত্রা বজায় রাখা হয়।